শিরোনাম
◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে" ◈ ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বশক্তিতে পরিণত হতে পারে: দিনেশ ত্রিবেদী ◈ ধৃষ্টতা সকল সীমা ছাড়িয়েছ’; অভিনেত্রী শাওনকে নিয়ে তাজুল ইসলামের ক্ষোভ

প্রকাশিত : ০৭ মে, ২০২৬, ০৮:৪১ রাত
আপডেট : ১০ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারত থেকে ৩ ট্রাক বিস্ফোরক আমদানি

আজিজুল হক, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি : বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে তিন ট্রাকে ৪০ টন বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি করেছে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড।

বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যায় বিস্ফোরকবাহী চালানটি বন্দর এলাকায় প্রবেশ করে। বর্তমানে কাস্টমস কার্যক্রম শেষে বন্দরের ৩১ নম্বর শেডে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্যে এটি সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খনি প্রকল্পের কাজের জন্য প্রথম ধাপে ভারতের বেঙ্গালুরুভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘কেলটেক এনার্জিস লিমিটেড’ থেকে এই বিস্ফোরক কেনা হয়েছে। চালানের মধ্যে রয়েছে ৪০ মেট্রিক টন ইমালশন এক্সপ্লোসিভ, ১০০ কিলোমিটার ডেটোনেটিং কর্ড। তিনটি ভারতীয় ট্রাকে করে এই বিশাল চালানটি বেনাপোল বন্দরে এসে পৌঁছায়।

বিস্ফোরক দ্রব্য হওয়ায় বন্দর কর্তৃপক্ষ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর বন্দরের নির্ধারিত নিরাপদ শেডে মালামালগুলো রাখা হয়েছে।

আগামী শুক্রবার (৮ মে) পুলিশি পাহারায় এসব বিস্ফোরক দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানির ম্যাগাজিনে পাঠানো হতে পারে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, বিস্ফোরক দ্রব্য হওয়ায় চালানটি নিয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছি। বন্দরের নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার তত্ত্বাবধানে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পুলিশি পাহারায় নির্ধারিত সময়েই তা গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়