শিরোনাম
◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে" ◈ ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বশক্তিতে পরিণত হতে পারে: দিনেশ ত্রিবেদী ◈ ধৃষ্টতা সকল সীমা ছাড়িয়েছ’; অভিনেত্রী শাওনকে নিয়ে তাজুল ইসলামের ক্ষোভ

প্রকাশিত : ০৯ মে, ২০২৬, ০৮:৫৫ রাত
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কিশোরগঞ্জে রোদে ঝলমলে ফিরেছে প্রাণ, হাওরে বইছে বৈশাখী ব্যস্ততা

ফারুকুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ : অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার পর গত তিনদিন ধরে আকাশে ঝলমলে রোদ আর হালকা বাতাস থাকায় হাওরাঞ্চলের কৃষক-কৃষাণিদের মাঝে ফিরে এসেছে স্বস্তি। এখন মুখর হয়ে উঠেছে হাওরপাড়ের কৃষক। সড়ক, খলা ও বাড়ির উঠানে ভেজা ধান শুকানো, মাড়াই ও ধান ঘরে তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক পরিবারের সব বয়সী মানুষ।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, কিশোরগঞ্জের হাওর  ইটনা, মিঠামইন, নিকলীর সড়ক জুড়ে একপাশে রোদে ধান নাড়ছেন কৃষাণিরা, কোথাও বাতাসে ধান উড়িয়ে চিটা আলাদা করছেন কৃষকরা। শুকানো ধান কেউ ট্রাক্টরে, কেউ ঠেলাগাড়িতে করে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন। একইসঙ্গে হাওরের তীরবর্তী জমি থেকে কাটা ধান এনে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে এবং সেখানেই মেশিন দিয়ে মাড়াই চলছে। কয়েকদিন পর রোদের দেখা মেলায় হাওরে বৈশাখের এই কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দুর্ভোগে পড়া কৃষকদের কাছে এই রোদ যেন স্বস্তির বার্তা হয়ে এসেছে। নিকলী এলাকার কৃষক কামরুল হাসান  বলেন- এক সপ্তাহ আগে যদি-এমন রোদ থাকতো, তাহলে জলাবদ্ধতার কারণে ধানের এত ক্ষতি ও কষ্ট হতো না। তবে গত তিনদিনের রোদে কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। 

এভাবে কয়েকদিন রোদ থাকলে হাওরের ধান ও খড় সহজেই ঘরে তোলা যাবে। কৃষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন- জেলার সবচেয়ে বড় নিকলীর হাওর এই হাওরের হাজার হাজার জমির পাকা ধান তলিয়ে গেছে। কিন্তু বৃষ্টির পানির কারণে ধান কাটতে ভীষণ চাপে আছে কৃষক পাচ্ছে না শ্রমিক। 

নিকলীর লতিফা বেগম বলেন, গত কয়েকদিন ধরে রোদ থাকায় যতটুকু ধান কাটা হয়েছে তা নিয়ে হাওরে বৈশাখী আমেজ ফিরে এসেছে। আমরা এখন ধান শুকিয়ে ঘরে তুলতে পারছি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান,  মাঠপর্যায়ের তথ্যমতে জেলায় ১০ হাজার ৫০ হেক্টর জমি পানির নিচে চলে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায়।

তিনি আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করছেন আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। তবে কৃষকদের দাবি অনুযায়ী, বাস্তবে পানিতে তলিয়ে যাওয়া জমির প্রকৃত পরিমাণ সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি।

কৃষি বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত হাওরে ৬০ ভাগ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে। তবে বাকি ৪০ ভাগ ধান নিয়ে এখন চরম শঙ্কায় দিন কাটছে হাওরবাসীর।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়