শিরোনাম
◈ আগামী বছর ৪ অ‌ক্টোবর শুরু হ‌বে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, আ‌য়োজ‌নে দ.আ‌ফ্রিকা, জিম্বাবু‌য়ে ও না‌মি‌বিয়া ◈ সনের নেতৃত্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে এশিয়ার দল দক্ষিণ কোরিয়া ◈ কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর হবে নতুন আন্তর্জাতিক গেটওয়ে ◈ অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্ক, স্থগিত ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ’ রামমূর্তি নির্মাণ ◈ তৃতীয় ভাষা শিখলে মিলবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ ◈ নতুন বাজেটে কোন ব্র্যান্ডের সিগারেটের দাম কত? ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা ◈ দিল্লির শীর্ষ বৈঠকেও ‘পুশ-ইন’ সংকটের সমাধান মিলল না ◈ ভাইকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সেই বৃদ্ধ ষষ্ঠী বর্মন, ভারতে গেলেন যেভাবে ◈ মাথায় ব‌লের আঘাত, হাসপাতালে মে‌হে‌দি মিরাজ

প্রকাশিত : ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:১৬ রাত
আপডেট : ২১ মে, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হওয়ার মতো কিছু করিনি: মেহের আফরোজ শাওন

রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে যেভাবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার আসামি করা হয়েছে, সে ধরনের কোনো কাজ তিনি করেননি বলে দাবি করেছেন।

‘আমি শুনেছি যে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে। এখন সন্ত্রাস জিনিসটা তো আসলে দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। কাজেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হবার মতো কিছু করেছি বলে আমি মনে করি না এবং আমি নিশ্চিত, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হবার মতো কিছু আমি করিনি’ মামলার বিষয়টি জানতে পারার পর সোমবার বিকেলে বিবিসি বাংলাকে বলেন মিজ শাওন।

মামলাটিতে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনের সঙ্গে সাংবাদিক আনিস আলমগীর, মডেল মারিয়া কিশপট্ট ও উপস্থাপক ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজকেও আসামি করা হয়েছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘সন্ত্রাসী কার্যক্রমে উস্কানি’ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ‘কটুক্তি’ করার মাধ্যমে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে এর আগে তাদের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় অভিযোগ দাখিল করেন জুলাই রেভ্যুলেশনারি এলায়েন্স কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ।

অভিযোগ অস্বীকার করে মিজ শাওন বলেন, ‘আমি আমার কিছু মতপ্রকাশ করেছি, যা কোনো দলের পক্ষে বা বিপক্ষে যায় না। আমি আজ পর্যন্ত কোনো দলের নাম বা নেতার নাম ব্যবহার করে কিছু লিখিনি; পক্ষে হোক, বিপক্ষে হোক।’

‘আমি কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষক না। আমি দেশের একজন সাধারণ নাগরিক। সেই নাগরিকের জায়গা থেকে আমার যখন কষ্ট লেগেছে, খটকা লেগেছে, আমার যখন মনে হয়েছে, জিনিসটা ঘটা উচিৎ হয়নি, তখন আমি সেই মতামতটা প্রকাশ করেছি।’

‘সেই একাত্তর থেকে আমরা কি চেয়েছি? আমরা তো আসলে মতপ্রকাশ করতেই চেয়েছি। চব্বিশের জুলাইতেও যেই কথাটা বলা হয়েছিল, সেটা হলো- বাক-স্বাধীনতা। এখন একদম সিম্পল মতপ্রকাশেই যদি মামলা করতে হয়, আর মামলা করলেই যদি গ্রেফতারের ভয়টা থাকে, তাহলে সেই বাকস্বাধীনতাটা কোথায় গেল?’ বলেন মিজ শাওন।

সূত্র: দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়