শিরোনাম
◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে" ◈ ধৃষ্টতা সকল সীমা ছাড়িয়েছ’; অভিনেত্রী শাওনকে নিয়ে তাজুল ইসলামের ক্ষোভ ◈ উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন, ভালো চাকরির ফাঁদে বিদেশে গিয়ে সাইবার স্ক্যামে বাধ্য, দেশে ফিরলেন ৩৭ বাংলাদেশি ◈ জুনের প্রথম ১০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১২০ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার ◈ দক্ষিণ আফ্রিকায় ঢুকতে গিয়ে বিপাকে ৯ বাংলাদেশি, মিলল ভুয়া পাসপোর্ট-ভিসার প্রমাণ ◈ বিশ্বকাপে দ‌ক্ষিণ কো‌রিয়ার দারুণ সূচনা ◈ আদ্-দ্বীনের হাসপাতাল নয়, বাতিল হয়েছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স: দাবি আইনজীবী শিশির মনিরের ◈ স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস ও হামে শিশুমৃত্যুর জন্য ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন শেখ হাসিনা ◈ ‌বিশ্বকা‌পে ব্রাজিল বনাম মর‌ক্কো ম্যাচের রেফা‌রি দেহব্যবসায় জড়িত মামলার আসা‌মি স্লাভকো ভিনচিচ

প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:২০ রাত
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে অভিযোগ থেকে খালাস পেয়ে আদালতেই কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন মাইকেল জ্যাকসন

পপ সংগীত জগতের কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসন। ‘কিং অব পপ’ নামে পরিচিত এই তারকা তার জীবদ্দশায় অসাধারণ সাফল্যের পাশাপাশি একাধিক গুরুতর বিতর্কের মুখোমুখি হয়েছিলেন। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিল শিশু যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, যা ২০০৫ সালে বিশ্বজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করে।  এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে সেসময়ে তাকে বেশ ভুগতে হয়েছিল। 

২০০৫ সালের দিকে ফ্রাঙ্ক, অ্যালডো, মারি-নিকোল ও ডমিনিক ক্যাসিও-এই চার ভাইবোন মাইকেল জ্যাকসনের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন ও নিপীড়নের অভিযোগ তোলেন।  কিন্তু আদালত মামলা না নেওয়ায় পরবর্তীতে তারা ‘লিভিং নেভারল্যান্ড’ নামের একটি ডকুমেন্টারিতে জ্যাকসনের বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ প্রকাশ করেছিলেন। 

লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি আদালতে ভাইবোনদের হাজির করা হলে বিচারক জানান, পূর্বে হওয়া একটি আইনি মীমাংসার কারণে তারা জ্যাকসনের বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা করতে পারবেন না। আদালত সূত্রে জানা যায়, ওই মীমাংসাটি ছয় বছর আগে সম্পন্ন হয়েছিল। তবে সেই সমঝোতা বাতিলের দাবিতে ভাইবোনরা পুনরায় আদালতের দ্বারস্থ হন। 

এর আগে, ২০০৫ সালের ১৩ জুন মাইকেল জ্যাকসন তার বিরুদ্ধে আনা শিশু যৌন নির্যাতনের সব অভিযোগ থেকে খালাস পান। মামলাটি দায়ের করেছিলেন তৎকালীন ১৩ বছর বয়সী গ্যাভিন আরভিজো। অভিযোগে বলা হয়, জ্যাকসন তার মালিকানাধীন নেভারল্যান্ড র্যাঞ্চে তাকে যৌন নির্যাতন করেছিলেন।

এই মামলায় জ্যাকসনের বিরুদ্ধে মোট ১০টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে চারটি ছিল নাবালককে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, যৌন নির্যাতনের উদ্দেশ্যে নাবালককে মাদক সরবরাহের অভিযোগ ছিল চারটি, একটি শিশু যৌন নির্যাতনের চেষ্টা এবং শিশু অপহরণ, মিথ্যা কারাবন্দিত্ব ও চাঁদাবাজির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। 

বিচার চলাকালে প্রসিকিউশন পক্ষ মাইকেল জ্যাকসনকে একজন যৌন শিকারী হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে। অপরদিকে, খ্যাতনামা আইনজীবী থমাস মেসেরোর নেতৃত্বে আসামিপক্ষ দাবি করে, অভিযোগ দায়ের করা পরিবারটির মূল উদ্দেশ্যই হল, গায়কের কাছ থেকে অর্থ আদায়। 

আসামিপক্ষ প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের বক্তব্যে অসঙ্গতি তুলে ধরে এবং নিজেদের পক্ষে একাধিক সাক্ষী হাজির করে। এদের মধ্যে অভিনেতা ম্যাকলে কুলকিনসহ কয়েকজন পরিচিত মুখও ছিলেন। 

আটজন নারী ও চারজন পুরুষের সমন্বয়ে গঠিত জুরি প্রায় ৩০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আলোচনা শেষে সর্বসম্মতভাবে সব অভিযোগে মাইকেল জ্যাকসনকে নির্দোষ ঘোষণা করে। এ সময়ে আদালতে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং এক পর্যায়ে মাইকেল জ্যাকসন কান্নায় ভেঙে পড়েন।  শেষ পর্যন্ত আইনিভাবে খালাস পেলেও, এই অভিযোগ ও পরবর্তী ডকুমেন্টারিগুলোর কারণে মাইকেল জ্যাকসনের নামকে ঘিরে জল্পনা আজও চলমান রয়েছে। সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়