শিরোনাম
◈ অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্ক, স্থগিত ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ’ রামমূর্তি নির্মাণ ◈ তৃতীয় ভাষা শিখলে মিলবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ ◈ নতুন বাজেটে কোন ব্র্যান্ডের সিগারেটের দাম কত? ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা ◈ দিল্লির শীর্ষ বৈঠকেও ‘পুশ-ইন’ সংকটের সমাধান মিলল না ◈ ভাইকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সেই বৃদ্ধ ষষ্ঠী বর্মন, ভারতে গেলেন যেভাবে ◈ মাথায় ব‌লের আঘাত, হাসপাতালে মে‌হে‌দি মিরাজ ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন ◈ বাজেটের আকারে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, ছাড়িয়ে গেছে কয়েকটি ধনী দেশকে ◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৫:১০ বিকাল
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খামেনির দেশত্যাগের গুঞ্জন, যা জানাল ইরানি দূতাবাস

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির দেশত্যাগের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় অবস্থান পরিষ্কার করেছে ইরানি দূতাবাস। তারা এ ধরনের খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও গুজব বলে উল্লেখ করেছে।

রোববার (১১ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ বাড়তে থাকায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই (৮৬) নাকি দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এতে নিরাপত্তা বাহিনী বা সেনাবাহিনী যদি সরকারের নির্দেশ মানতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে খামেনিই তার পরিবারের প্রায় ২০ জন সদস্যকে নিয়ে দেশ ত্যাগ করতে পারেন বলে দাবি করা হয়েছে। এমনকি তার সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর কথাও উল্লেখ করা হয়।

তবে এই দাবি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে ভারতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাস। দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানায়, এ ধরনের খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও গুজব। তারা উল্লেখ করে, ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের সময়ও খামেনিই দেশ ছাড়েননি। সুতরাং বিক্ষোভের কারণে তার দেশত্যাগের খবর সম্পূর্ণ অসত্য। দূতাবাস একে শত্রু রাষ্ট্রগুলোর অপপ্রচার বলে আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানায়।

সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের বিভিন্ন শহরে মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক সংকটের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা গেছে। অনেক এলাকায় দোকানপাট বন্ধ রয়েছে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিক্ষোভকারীরা অর্থনৈতিক সংস্কার ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার দাবি তুলছেন।

অন্যদিকে, সরকারের সমর্থনেও বড় বড় সমাবেশ হচ্ছে। কেরমানসহ বিভিন্ন শহরে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে খামেনির প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন এবং সরকারপন্থি স্লোগান দিচ্ছেন। এতে স্পষ্ট হচ্ছে, দেশটির ভেতরে মতভেদ গভীর হলেও ক্ষমতায় সরকারের নিয়ন্ত্রণ এখনো শক্ত রয়েছে।

এনডিটিভিকে দেওয়া বক্তব্যে কয়েকজন ইরানি নাগরিক জানান, মূল্যস্ফীতি সত্যিই বড় সমস্যা এবং তারা চান এটি নিয়ন্ত্রণে আসুক। তবে তারা খামেনির বিরোধী নন। তাদের মতে, যারা খামেনির বিরোধিতা করছে তারা মূলত সাবেক শাহ রেজা পাহলভির সমর্থক ও বিদেশি শক্তির সঙ্গে যুক্ত।

কোম শহরের ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা জামির জাফরি বলেন, খামেনেই সম্প্রতি ৩ জানুয়ারি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন, যা প্রমাণ করে তিনি এখনো সক্রিয়ভাবে দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি বলেন, তেহরানে পরিস্থিতি মোটামুটি স্বাভাবিক। খামেনেই দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন—এমন খবর পুরোপুরি ভুয়া। তিনি ভারতীয় গণমাধ্যমকে যাচাই ছাড়া এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ না করার আহ্বান জানান।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়