শিরোনাম
◈ ধর্ষণের ক্ষেত্রে দ্বিচারিতা চলতে পারে না, সব অপরাধেরই বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকারি ব্যয় ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত ও সম্পূরক বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ বি‌পিএলের দুরাবস্থা, ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের র‍্যাঙ্কিংয়ে সবার নিচে  ◈ সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত, কোনটি কোথায় যাবে ◈ চীনা অর্থায়নে দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতুসহ ২০ মেগা প্রকল্পের পরিকল্পনা ◈ আধুনিক প্রযুক্তির লড়াইয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রেকর্ড ভাঙল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ◈ ‘আমি মন্ত্রীর পিছে টাকা নিয়ে ঘুরিনি’: আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ◈ ব্রা‌জি‌লের বিরু‌দ্ধে মর‌ক্কো দ‌লের একাদশে ১১ জনই ছি‌লো জন্মসূত্রে বিদেশি, বিশ্বকাপে অনন্য কীর্তি ◈ অক্সফোর্ডে অনুষ্ঠান শেষে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের স্লোগান, পাল্টা হাসনাত আবদুল্লাহর ‘মিডল ফিঙ্গার’ প্রদর্শন ◈ রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে দ্রুত এআই ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:১২ বিকাল
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শত্রু’ ভাবছে ডেনমার্কের ৬০ শতাংশ মানুষ

ন্যাটো জোটের সদস্য হিসেবে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘গ্রিনল্যান্ডের দখল’ করার ইচ্ছায় স্বাভাবিকভাবেই নাখোশ ডেনমার্কের নাগরিকরা। সাম্প্রতিক এক জরিপে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।

সরকারি সংবাদমাধ্যম ডিআর-এর জরিপে জানা গেছে, ডেনমার্কের ৬০ শতাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শত্রু’ হিসেবে দেখছেন। খবর এএফপি’র।

জরিপে দেখা যায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটির পাঁচ ভাগের একভাগ মানুষও ওয়াশিংটনকে ‘মিত্র’ ভাবতে পারছেন না। 

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের সামনে প্রশ্ন ছিল, চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রকে কি মিত্র না শত্রু হিসেবে দেখছেন? জবাবে মাত্র ১৭ শতাংশ মানুষ ‘মিত্র’ জবাব দিয়েছে।

২০ শতাংশ জবাব দেন, ‘উত্তর জানা নেই’ এবং তিন শতাংশ মানুষ জবাব দিতে আগ্রহী নন বলে জানান।

জরিপটি পরিচালনা করেছে বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান এপিনিয়ন। এক হাজার ৫৩ জন ডেনমার্কবাসী এতে অংশ নেন। তাদের সবার বয়স ১৮ বছরে বেশি। ২১ থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত জরিপ চলে। 

আনুষ্ঠানিকভাবে ডেনমার্কের অংশ হওয়ায় গ্রিনল্যান্ডকেও ন্যাটো সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সে ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে ওই সামরিক জোটের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়ে যায়। কারণ ন্যাটোর সনদে বলা হয়েছে এক সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকি সব সদস্য দেশ ওই দেশকে সুরক্ষা দিতে সেনা নিয়ে এগিয়ে আসবে।

তবে ন্যাটোর এক সদস্য আরেক সদস্যের ওপর হামলা চালালে কি হবে, সেটার কোনো জবাব ন্যাটো সনদে নেই। স্বভাবতই, ট্রাম্পের হুমকি জোটকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দেয়। তবে জানুয়ারিতে ওই অবস্থান থেকে সরে আসেন ট্রাম্প। 

সূত্র: ইত্তেফাক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়