শিরোনাম
◈ ডা. জাহেদ ইস্যুতে ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব ◈ বিশ্বকা‌পে মারা‌দোনা‌কে নি‌য়ে এক প্রজন্মের হৃদয়ভাঙার গল্প! ◈ চার দিন শূন্যরেখায় আটকে থাকার পর ১২ জনকে ফেরত নিল ভারত ◈ ভারতের ভিসা আবেদনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রক্রিয়ায় যে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে আইভ্যাক ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের ‘বিশেষ সুবিধা’ বাতিল হচ্ছে! ◈ এসএসসির ফল প্রকাশ নিয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার বেনজীরকে দেশে ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে সরকার ◈ প্রাথমিকে সঙ্গীত শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন করেনি মন্ত্রিপরিষদ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ হাসপাতাল বন্ধ, তবে বন্ধ হচ্ছে না আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ, বিকল্প হাসপাতালে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ◈ ৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেই ঝড় তুলল সুইডেন, তিউনিসিয়াকে ৫-১ ব্যবধানে হার

প্রকাশিত : ০১ মার্চ, ২০২৬, ০১:৪০ রাত
আপডেট : ২৭ মে, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত রোধে এরদোয়ানের সতর্কবাণী ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা পুরো অঞ্চলকে ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে হুঁশিয়ার করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। 

শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি সব পক্ষের সাম্প্রতিক হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানান। এরদোয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ইরানের সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এটি আঞ্চলিক শান্তির জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। তুরস্ক এই হামলার ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

একই সঙ্গে এরদোয়ান উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ইরানের পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সমালোচনা করে একে অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই ধরনের পাল্টাপাল্টি উত্তেজনা একটি বৃহত্তর সংকট তৈরি করতে পারে।

গত শনিবার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালানোর পর মধ্যপ্রাচ্য নতুন করে সামরিক সংঘাতের মুখে পড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার ধ্বংস এবং তাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ বন্ধ করার অঙ্গীকার করেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে তুরস্কের নেতা বলেছেন, আঙ্কারা সহিংসতা বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করবে। তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হবে একটি যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং এরপর আলোচনার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা। এরদোয়ান বলেন, বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোকে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত থামাতে দ্রুত ও ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ নিতে হবে। 

এরদোশান সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেন, যদি শুভবুদ্ধির উদয় না হয় এবং কূটনীতিকে সুযোগ দেওয়া না হয়, তবে পুরো অঞ্চল আগুনের কুণ্ডলীতে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। তুরস্ক ইতিমধ্যেই এই সংঘাতের সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়