শিরোনাম
◈ অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্ক, স্থগিত ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ’ রামমূর্তি নির্মাণ ◈ তৃতীয় ভাষা শিখলে মিলবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ ◈ নতুন বাজেটে কোন ব্র্যান্ডের সিগারেটের দাম কত? ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা ◈ দিল্লির শীর্ষ বৈঠকেও ‘পুশ-ইন’ সংকটের সমাধান মিলল না ◈ ভাইকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সেই বৃদ্ধ ষষ্ঠী বর্মন, ভারতে গেলেন যেভাবে ◈ মাথায় ব‌লের আঘাত, হাসপাতালে মে‌হে‌দি মিরাজ ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন ◈ বাজেটের আকারে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, ছাড়িয়ে গেছে কয়েকটি ধনী দেশকে ◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:০৩ দুপুর
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রতিদিন সকালে কোয়েলের ডিম খাওয়ার ৭টি উপকারিতা

কমবেশি সবার প্রিয় খাবার ডিম। নিত্যদিনের সঙ্গী ডিম। কেউ হাঁসের ডিম পছন্দ করেন, আবার কেউ মুরগির ডিম। কিন্তু কোয়েল পাখির ডিম খাওয়ার কথা কি কখনো ভেবেছেন? কারণ কোয়েল পাখির ডিমেও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ। 

আপনি যদি প্রতিদিন সকালে কোয়েলের ডিম খান, তবে আপনার শরীরে শক্তি যোগায়, হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। 

কোয়েলের ডিম অনেক পুষ্টি উপাদানে ভরপুর এবং মুরগির ডিমের চেয়ে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) ও কম খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) থাকার কারণে এটি একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসাবে আপনি খেতে পারেন। কারণ এটি মস্তিষ্কের কার্যকারিতা, স্মৃতিশক্তি এবং হার্টের স্বাস্থ্য উন্নত করতেও সাহায্য করে।

প্রতিদিন সকালে কোয়েলের ডিম খেলে সারাদিনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি পাওয়া যায় এবং এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। কারণ কোয়েলের ডিমে থাকা প্রোটিন হজম হতে সময় নেয়, যা দীর্ঘক্ষণ তৃপ্তি দেয়।

এ ছাড়া কোয়েলের ডিম রোগপ্রতিরোধ বেশি। এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে, কিডনির সমস্যা প্রতিরোধে এবং ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে। আবার হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় কোয়েলের ডিম। কারণ কোয়েলের ডিম কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে অ্যালার্জিতেও ভালো কাজ হয়। আর যাদের মুরগির ডিম খেলে অ্যালার্জি হয়, তারা কোয়েলের ডিম খেতে পারেন। 

স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটাতেও কার্যকরী। এটি স্মৃতিশক্তি ও মানসিক বিকাশে সাহায্য করতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য অতিগুরুত্বপূর্ণ । কারণ এতে থাকা উচ্চ আয়রনের কারণে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ে এবং রক্ত সঞ্চালনও উন্নত হয়।

কোয়েল পাখির ডিম বিশেষ করে গর্ভবতী নারীর জন্য উপকারী। কারণ এতে রয়েছে জিঙ্ক, প্রোটিন, আয়রন এবং সেলেনিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদান, যা গর্ভবতী নারীর স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে।

তবে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। অতিরিক্ত পরিমাণে ডিম খাওয়া উচিত নয়। দৈনিক ২-৩টি ডিম খাওয়া নিরাপদ বলে মনে করা হয়। আর ডিম ভালোভাবে সেদ্ধ করে খেতে হবে। কারণ কাঁচা বা আধা সেদ্ধ ডিমে জীবাণু থাকতে পারে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়