শিরোনাম
◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে" ◈ ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বশক্তিতে পরিণত হতে পারে: দিনেশ ত্রিবেদী ◈ ধৃষ্টতা সকল সীমা ছাড়িয়েছ’; অভিনেত্রী শাওনকে নিয়ে তাজুল ইসলামের ক্ষোভ

প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২৫, ০১:০৮ রাত
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পে স্কেল কাঠামোর বাইরে রয়েছেন যারা

জুডিসিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের সভায় অধস্তন আদালতের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি নিয়ে কোনো আলোচনা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন। রোববার সংগঠনটির সভাপতি রেজোয়ান খন্দকার ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. সালাউদ্দিনের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ক্ষোভ জানানো হয়। একই সঙ্গে তাদের জুডিসিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেলের আলোকে বেতন-ভাতা প্রদানসহ বিদ্যমান জুডিসিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেলের ১ম-৬ষ্ঠ গ্রেডের পরবর্তী ৭ম-১২তম গ্রেডভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কমিশনের কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ এবং বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও অধস্তন আদালতে কর্মরত সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের ন্যায্য দাবি স্থান পায়নি। সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া ৯ অক্টোবর কমিশন সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের (বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, আইন মন্ত্রণালয়, আইন কমিশন ও বিচার প্রশাসন ইন্সটিটিউট) সঙ্গে বিচারকগণের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণ বিষয়ে মতবিনিময় করবেন। কিন্তু সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আলোচনার বাইরে। কমিশনের আলোচনায় বিচার বিভাগে কর্মরত একমাত্র বিচারকের বেতন ভাতা বিষয়ে আলোচনা হলেও অধস্তন আদালতের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে সিদ্ধান্ত এ আলোচনায় উল্লেখ নেই। অথচ দেশের বিচার বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রায় ২০ হাজার সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দিনরাতের শ্রমই বিচার বিভাগকে সচল রাখে।

এ বিষয়ে সংগঠনটির সভাপতি মো. রেজোয়ান খন্দকার বলেন, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠায় যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছেন, তাতে অধস্তন আদালতের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের কোনো প্রতিফলন নেই। বিচার বিভাগের মর্যাদা রক্ষায় প্রথম শর্তই হলো বৈষম্যহীন কাঠামো নিশ্চিত করা।

সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. সালাউদ্দিন বলেন, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণ করার পরে সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকলেও অধস্তন আদালতের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়নি। ৯ অক্টোবরের সভায় যদি সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হয় এবং ২০২৫ সালের জুডিসিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের প্রতিবেদনে যদি আবারও কর্মচারীরা বঞ্চিত হন তাহলে লাগাতার শাটডাউনসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার জন্য অ্যাসোসিয়েশন প্রস্তুত থাকবে। উৎস: যুগান্তর।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়