শিরোনাম
◈ ৯৪ মিনিটে গোল, সুইসদের বিপক্ষে কাতারের অবিশ্বাস্য ড্র ◈ শান্তিচুক্তি সইয়ের সময়সূচি ঘোষণা ট্রাম্পের, ভিন্ন অবস্থানে ইরান ◈ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত হবে, লবণচাষীরা পাবেন ন্যায্যমূল্য ◈ বাংলাদেশকে স্বনির্ভর ও শিল্পোন্নত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা: মির্জা ফখরুল ◈ ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানোর কৌশল: অর্থনীতির জন্য কতটা ইতিবাচক? ◈ ক্রিকেটার নাঈমের শারী‌রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে চট্টগ্রামে গে‌লেন বিসিবির ফিজিওরা ◈ ব্রাজিলের এক‌টি গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মরক্কোর বিপক্ষে জয় চান না ◈ ইংল্যান্ড দ‌লের বল ও বুটসহ অ‌নেক অনুশীলন সরঞ্জাম চুরি ◈ সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটি করে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী ◈ বিপ্লবের পর বাস্তবতার মুখে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা

প্রকাশিত : ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ০২:১৯ রাত
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও কর্মক্ষেত্র নিরাপত্তায় বৈপ্লবিক অগ্রগতি—আইএলওর ১০টি মৌলিক দলিল অনুমোদন করলো বাংলাদেশ

এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কনভেনশন অনুমোদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে আইএলও–এর ১০টি মৌলিক দলিল অনুমোদন করেছে। যুগান্তকারী এই অনুমোদনের কারণে বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করেছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)।

জেনেভায় আইএলও সদর দপ্তরে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হৌংবোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে বাংলাদেশ তিনটি কনভেনশন অনুমোদনের দলিল হস্তান্তর করে।

অনুমোদিত দলিলগুলোর মধ্যে রয়েছে—১. পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য কনভেনশন, ১৯৮১ (নং ১৫৫); ২. পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য কনভেনশনের জন্য প্রচারমূলক কাঠামো, ২০০৬ (নং ১৮৭) এবং ৩. সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধ কনভেনশন, ২০১৯ (নং ১৯০)।

এই কনভেনশনগুলোর অনুমোদন সকল শ্রমিকের জন্য মর্যাদা ও সম্মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, মর্যাদা ও মানবাধিকারের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারকে তুলে ধরে।

বিশেষত, ১৯০ নম্বর কনভেনশন অনুমোদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে স্থান পেল। ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ গৃহীত হওয়ার পরপরই আইএলও’র দলিল অনুমোদন করা হয়। 

এর মাধ্যমে জাতীয় আইনকে আন্তর্জাতিক মানের সাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে। নতুন এই অধ্যাদেশ কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য, সহিংসতা ও হয়রানি নিষিদ্ধ করে এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি এড়াতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা শক্তিশালী ও অধিকার নিশ্চিত করে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়