শিরোনাম
◈ ধর্ষণের ক্ষেত্রে দ্বিচারিতা চলতে পারে না, সব অপরাধেরই বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকারি ব্যয় ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত ও সম্পূরক বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ বি‌পিএলের দুরাবস্থা, ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের র‍্যাঙ্কিংয়ে সবার নিচে  ◈ সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত, কোনটি কোথায় যাবে ◈ চীনা অর্থায়নে দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতুসহ ২০ মেগা প্রকল্পের পরিকল্পনা ◈ আধুনিক প্রযুক্তির লড়াইয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রেকর্ড ভাঙল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ◈ ‘আমি মন্ত্রীর পিছে টাকা নিয়ে ঘুরিনি’: আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ◈ ব্রা‌জি‌লের বিরু‌দ্ধে মর‌ক্কো দ‌লের একাদশে ১১ জনই ছি‌লো জন্মসূত্রে বিদেশি, বিশ্বকাপে অনন্য কীর্তি ◈ অক্সফোর্ডে অনুষ্ঠান শেষে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের স্লোগান, পাল্টা হাসনাত আবদুল্লাহর ‘মিডল ফিঙ্গার’ প্রদর্শন ◈ রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে দ্রুত এআই ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:৩৮ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে ক্ষমতায় টিকে থাকার মাস্টারপ্ল্যান ছিল: তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বিচারপতি শামীম

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বারবার ক্ষমতায় আসার পথে প্রতিবন্ধকতা ছিল। এটি বাতিলে ২০০৮ সালের পর মাস্টারপ্ল্যান করা হয় বলে জানিয়েছে তদন্ত কমিটি।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার হাতে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ এর নির্বাচনের নানা অভিযোগ নিয়ে গঠিত তদন্ত প্রতিবেদন তুলে দেন সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি শামীম হাসনাইন। পরে এ নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।

নির্বাচন পদ্ধতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ২০০৮ সালের পর মাস্টারপ্ল্যান হয়েছে উল্লেখ করে বিচারপতি শামীম বলেন, উদ্দেশ্য ছিল কেয়ারটেকার গভর্নমেন্ট বাতিল করা। যেকোনো উপায়ে ক্ষমতাসীন দল ক্ষমতায় থাকার পথে কেয়ারটেকার সরকার বড় বাঁধা ছিল। পরবর্তীতে বেছে বেছে নিজেদের লোকজন দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়।

তিনি আরও বলেন, মেধাবী অফিসারদের বাইপাস করে যেকোনো উপায়ে মোটিভেশন দিয়ে নির্বাচন করা হয়েছে। অনুগত কর্মকর্তাদের রাখা হয়েছে। ইলেক্ট্রো মেকানিজম করা হয়েছে। ভোট গণনায় অসামঞ্জস্য ছিল।

বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তথ্য তুলে ধরে তদন্ত কমিটির প্রধান বলেন, পুলিশের ডিসি সমপর্যায়ের অফিসার, সেনা সদস্য, এনএসআই, ডিজিএফআইয়ের কর্মকর্তাদের ডেকে ইন্টারোগেট করা হয়েছে। এতে সেনাবাহিনীর একটি অংশ জড়িত ছিল। সাবেক প্রধান বিচারপতিকেও ইন্টারোগেট করা হয়েছে।

টিআইবিসহ একাধিক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার রিপোর্টও পর্যালোচনা করা হয়েছে।

সাবেক এই বিচারপতি আরও বলেন, দেশে পরপর ৩টা নির্বাচন ছিল সম্পূর্ণ বলপ্রয়োগের নির্বাচন। যদিও ২০১৮ সালের নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করার জন্য পরিকল্পনা সাজানো হয়। তবে নির্বাচনের আগের রাতেই ব্যালটে সিল মেরে আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত করে রাখা হয়। আর ২০২৪ সালে ডামি প্রার্থী দাঁড় করিয়ে নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করার চেষ্টা চালানো হয়। সূত্র: সময়

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়