শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপে প্রথম অঘটন, স্পেনকে রুখে দি‌য়ে ইতিহাস কেপ ভার্দের  ◈ সরকারের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ধর্ষণের ক্ষেত্রে দ্বিচারিতা চলতে পারে না, সব অপরাধেরই বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকারি ব্যয় ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত ও সম্পূরক বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ বি‌পিএলের দুরাবস্থা, ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের র‍্যাঙ্কিংয়ে সবার নিচে  ◈ সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত, কোনটি কোথায় যাবে ◈ চীনা অর্থায়নে দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতুসহ ২০ মেগা প্রকল্পের পরিকল্পনা ◈ আধুনিক প্রযুক্তির লড়াইয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রেকর্ড ভাঙল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ◈ ‘আমি মন্ত্রীর পিছে টাকা নিয়ে ঘুরিনি’: আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ◈ ব্রা‌জি‌লের বিরু‌দ্ধে মর‌ক্কো দ‌লের একাদশে ১১ জনই ছি‌লো জন্মসূত্রে বিদেশি, বিশ্বকাপে অনন্য কীর্তি

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:৩৭ দুপুর
আপডেট : ১৩ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোহিঙ্গা সংকট: আদালতের রায় নয়, প্রত্যাবাসনই বড় চ্যালেঞ্জ

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো গণহত্যার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে চালানো অভিযানকে বৈধ বলে দাবি করেছে মিয়ানমার। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এবার মিয়ানমার পার পাবে না, কারণ তাদের সব অপরাধ ডকুমেন্টেড। তবে মামলায় জয়ী হওয়ার চেয়ে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তারা।

২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গা বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এনে রাখাইনে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। ভয়াবহ সেই অভিযানে গণহত্যা, যৌন নির্যাতন, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে।

জাতিসংঘের তদন্তে সামরিক বাহিনীর এই আগ্রাসনকে জাতিগত নির্মূল হিসেবে অভিহিত করা হয়। ওই অভিযানে ১০ হাজার আরাকান বাসিন্দা নিহত হন বলে সংস্থাটির তদন্তে প্রকাশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গণহত্যার অভিযোগ এনে ২০১৯ সালে মিয়ারমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া।
 
আন্তর্জাতিক আদালত আইসিজিতে চলছে মামলার শুনানি। চলতি সপ্তাহে আনিত গণহত্যার অভিযোগ নাকচ করে মিয়ারমারের প্রতিনিধি ক্লো ক্লো হ্লাইংয়ের দাবি, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযান গণহত্যা নয় বরং ওইটা ছিল সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বৈধ অভিযান।
  
মিয়ারমারের এই দাবি মিথ্যা উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতে এরইমধ্যে মিয়ারমারের গণহত্যা প্রমাণিত হয়েছে। এবার আর অস্বীকার করে পার পাবে না। মিয়ানমারে গণহত্যার সব দালিলিক প্রমাণ রয়েছে আন্তর্জাতিক আদালতের কাছে।
 
তবে মামলায় জয়ী হওয়ার চেয়ে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন এই বিশ্লেষক। এজন্য বিচারের পাশাপাশি প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ফেরত নেয়ার ব্যাপারে তামাদো বা আরাকান আর্মি, এদের সঙ্গে আজ না হয় কাল বসেতই হবে। আদালতে বিচারটাও চলতে থাকবে, একইভাবে আরও কিছু করা যায় কি না, যার মাধ্যমে মিয়ানমার মনে করবে সমাধানে যাওয়া যায়।
 
জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়