শিরোনাম
◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে" ◈ ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বশক্তিতে পরিণত হতে পারে: দিনেশ ত্রিবেদী ◈ ধৃষ্টতা সকল সীমা ছাড়িয়েছ’; অভিনেত্রী শাওনকে নিয়ে তাজুল ইসলামের ক্ষোভ ◈ উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন, ভালো চাকরির ফাঁদে বিদেশে গিয়ে সাইবার স্ক্যামে বাধ্য, দেশে ফিরলেন ৩৭ বাংলাদেশি

প্রকাশিত : ১৩ মে, ২০২৬, ০৬:৫৭ বিকাল
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নোয়াখালীতে উদ্বৃত্ত রয়েছে কোরবানির পশু, ভারতীয় গরু নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারিরা

নোয়াখালী প্রতিনিধি : আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নোয়াখালীতে এবার চাহিদার তুলনায় বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু প্রবেশের আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন স্থানীয় খামারিরা।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৯টি উপজেলায় এবার প্রায় ১ লাখ ৫৬ হাজার কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এর বিপরীতে জেলার চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার পশু। ফলে এবার প্রায় ৬ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।

নোয়াখালীর বিভিন্ন খামারে শেষ মুহূর্তে চলছে পশুর পরিচর্যা। কাঁচা ঘাস, খড়, ভুসি, খৈল ও ভুট্টাসহ প্রাকৃতিক খাদ্য দিয়ে পশু মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে। কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার না করে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী পশু বাজারজাতের প্রস্তুতি চলছে।

জেলা সদরের মান্নান নগরে অবস্থিত সুপরিচিত খামার “মানফাত মিট ক্যাটেল অ্যান্ড ডেইরি ফার্ম” স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছে। এই খামারে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরী হয়েছে বহু উদ্যোক্তা। খামারটির ম্যানেজার মো. নুরুল ইসলাম নিশান জানান, পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধি এবং ভারতীয় গরু প্রবেশের আশঙ্কায় এবার উৎপাদন কমিয়ে প্রায় ১৫০টি কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। গত কয়েক বছর এ সংখ্যা ছিল ২৫০ থেকে ৩০০টি।

অন্যদিকে সোনাইমুড়ি উপজেলার পোরকড়া মেগদাদ অ্যান্ড মেহরাদ এগ্রো এবার সর্বাধিক কোরবানির পশু প্রস্তুত করেছে। খামারটির উপদেষ্টা হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম জানান, তারা এ বছর ৫০০টিরও বেশি পশু প্রস্তুত করেছেন। তিনি বলেন, প্রতি বছর ঈদের আগে সীমান্ত দিয়ে ভারত ও মিয়ানমারের গরু প্রবেশ করে স্থানীয় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। এসব গরুর স্বাস্থ্যগত মান নিয়েও প্রশ্ন থাকে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে এখন থেকেই বিভিন্ন খামারে ক্রেতাদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। ক্রেতারা জানান, খামার থেকে পশু কিনলে দাম ও মাংসের মান নিয়ে প্রতারণার ঝুঁকি থাকে না এবং পরিবেশও তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক।

নোয়াখালীর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি রয়েছে। খামার ও কৃষক পর্যায়ে পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি কোরবানির পশুর বাজারে মেডিকেল টিম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নোয়াখালীতে সাধারণত বাইরের গরু প্রবেশ করে না। তবে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে গরু প্রবেশ ঠেকাতে সরকার কঠোর নজরদারি ও ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়